আজঃ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭ | ১২:১৯ pm

জিকা ভাইরাস মোকাবেলার উপায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

September 7, 2016 at 9:31 am, Last Update: September 7, 2016 at 6:34 am

zika-virusসিঙ্গাপুরের পর এশিয়ার আরো একটি দেশ মালয়েশিয়াও এবার সেদেশে জিকা ভাইরাস সংক্রমণের খবর নিশ্চিত করেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ৬১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সম্ভবত সংক্রমিত মশার কামড়েই এটা ছড়িয়েছে।

আর এই ঘটনা ঘটেছে দেশের ভেতরেই।

এর আগে মালয়েশিয়ায় আরো একজন মহিলার শরীরে জিকা ভাইরাস পাওয়া গিয়েছিলো কিন্তু সেই সংক্রমণ হয়েছিলো দেশের বাইরে, সিঙ্গাপুরে।

প্রতিবেশী সিঙ্গাপুরে এই জিকা ভাইরাস পাওয়া গেছে দুশোর জনেরও বেশি মানুষের শরীরে। সেখানকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, দু’জনের শরীরে যে ভাইরাস পাওয়া গেছে সেগুলো এশিয়ারই মশা প্রজাতি।

সিঙ্গাপুরে যারা জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ছ’জন বাংলাদেশী।

বাংলাদেশ হাই কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের শরীরে এই ভাইরাসের মাত্রা কম এবং তারা ক্রমশই সেরে উঠছেন।

জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার জন্যে সিঙ্গাপুরের প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির জরুরী স্বাস্থ্য কর্মসূচির প্রধান পিটার সালামা বলেছেন, সিঙ্গাপুরের নেওয়া কর্মসূচি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

গত বছর ব্রাজিল ও আশেপাশের দেশগুলোতে জিকার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

এরপর থেকে এই ভাইরাসের কারণে মস্তিষ্কে ত্রুটি নিয়ে শিশু জন্মের হার বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সারা বিশ্বব্যাপী জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সংস্থাটি বলছে, মশাবাহিত এই রোগটির সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে এখনই ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর প্রকোপ লাতিন আমেরিকা থেকে খুব দ্রুতই আরো বহু দুর পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।

ডাক্তাররা বলছেন, জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এর উপসর্গ কিন্তু খুব মারাত্মক কিছু নয়- শুরুতে ঠাণ্ডা লাগা বা ফ্লু হওয়ার মতো কিছু হয়।

কিন্তু এর পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ রকমের। এর ফলে মাতৃগর্ভে ভ্রূণের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

সন্তানসম্ভবা নারীরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাধারণত ছোট আকারের মাথা নিয়ে নবজাতকের জন্ম হয়।

একারণে আক্রান্ত এলাকায় কর্তৃপক্ষ লোকজনকে এখন সন্তান না নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন।

টুইটারে ফলো করুনঃ